বরসানা, নন্দগাঁও ও বৃন্দাবন: ব্রজ ভ্রমণের পরিকল্পনা
মানচিত্রে ব্রজ ছোট, রাস্তায় ধীর। এই পরিকল্পনাগুলো তৈরি একটাই নিয়ম মেনে, যেটা সত্যিই জরুরি: দুপুরে প্রতিটি মন্দির বন্ধ থাকে। যেমন আছে তেমনই ব্যবহার করুন, বা আপনার তারিখ জানান, আমরা আপনার মতো করে সাজিয়ে দেব।
| বরসানা থেকে | দূরত্ব | মন্দিরের যে সময় জানা দরকার |
|---|---|---|
| শ্রীজি, বরসানা | পাহাড়ের উপরে, ২০০-র বেশি সিঁড়ি বা রোপওয়ে | গ্রীষ্মে সকাল ৫টা থেকে দুপুর ২টা, বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা; শীতে সকাল ৫:৩০ থেকে দুপুর ২টা, বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮:৩০ |
| নন্দ ভবন, নন্দগাঁও | ৮ কিমি | গ্রীষ্মে সকাল ৬টা থেকে ১১টা, বিকেল ৪:৩০ থেকে সন্ধ্যা ৭:৩০; শীতে সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১টা, বিকেল ৪:৩০ থেকে রাত ৮টা |
| রাধাকুণ্ড | ১৮ কিমি | কুণ্ডগুলো সারাদিন খোলা |
| গোবর্ধন | ২০ কিমি | প্রায় ২১ কিমির পরিক্রমা, যেকোনো সময়; বেশিরভাগ লোক ভোরে হাঁটেন |
| বাঁকে বিহারী, বৃন্দাবন | ৪৫ কিমি | গ্রীষ্মে সকাল ৭:৪৫ থেকে দুপুর ১২টা, বিকেল ৫:৩০ থেকে রাত ৯:৩০; শীতে সকাল ৮:৪৫ থেকে দুপুর ১টা, বিকেল ৪:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ |
| মথুরা জংশন | ৪২ কিমি | সবচেয়ে কাছের বড় স্টেশন |
উৎসবের দিনে আর ঋতু বদলালে সময় বদলায়; বাঁকে বিহারী একাধিকবার সময় পাল্টেছে। আগের দিন দেখে নিন, বা আমাদের জিজ্ঞেস করুন।
বরসানা ও নন্দগাঁও
- ভোর ৫টা
দিল্লি এনসিআর থেকে রওনা - সকাল ৮:৩০
সিঁড়ি বা রোপওয়েতে শ্রীজি, গরম পড়ার আগে দর্শন - সকাল ১১টা
কীর্তি মন্দির, পীলী পোখর, অষ্টসখী মন্দির - দুপুর ১টা
খাওয়া আর বিশ্রাম; মন্দির বন্ধ - বিকেল ৪:৩০
নন্দগাঁওয়ে নন্দ ভবন - সন্ধ্যা ৭টা
শ্রীজিতে সন্ধ্যা আরতি, রাত ১১টার মধ্যে বাড়ি
বরসানা, গোবর্ধন, বৃন্দাবন
- দিন ১
এক দিনের পরিকল্পনার মতো বরসানা, দুপুরের পরে নন্দগাঁও, রাতে বরসানায় থাকা - দিন ২ সকাল
গাড়ি বা ই-রিকশায় গোবর্ধন পরিক্রমা, বা রাধাকুণ্ড ও কুসুম সরোবর - দিন ২ সন্ধ্যা
বাঁকে বিহারীর সন্ধ্যার দর্শনের জন্য বৃন্দাবন, তারপর দিল্লি বা মথুরা স্টেশন
সঙ্গে অষ্টসখী
- দিন ১
ধীরেসুস্থে বরসানা: শৃঙ্গার আরতিতে শ্রীজি, পায়ে হেঁটে শহর, মান মন্দির - দিন ২
আট সখীর আটটি গ্রাম ঘুরে অষ্টসখী পরিক্রমা, বিকেল ৪:৩০-এ নন্দগাঁও - দিন ৩
সকালে গোবর্ধন বা রাধাকুণ্ড, সন্ধ্যায় বৃন্দাবন
বরসানাতেই থাকলে প্রথম দর্শন দশ মিনিট দূরে: শ্রীজির কাছে থাকার জায়গা। এই পরিকল্পনার জন্য গাড়ি আর গাইড: ভ্রমণ ও গাড়ি। এখানে আসার পথ: বরসানা কীভাবে পৌঁছবেন।
ব্রজের পরিকল্পনা: সংক্ষেপে উত্তর
বরসানার জন্য কত দিন লাগে?
পুরো এক দিনে শ্রীজি, কীর্তি মন্দির, পীলী পোখর আর নন্দগাঁও হয়ে যায়। দুই দিনে তাড়াহুড়ো ছাড়াই গোবর্ধন বা রাধাকুণ্ড আর বৃন্দাবন যোগ করা যায়। তিন দিনে অষ্টসখীর গ্রামগুলোও।
বৃন্দাবন থেকে বরসানা কত দূর?
প্রায় ৪৫ কিমি, গাড়িতে এক ঘণ্টার একটু বেশি। বরসানা থেকে নন্দগাঁও ৮ কিমি, গোবর্ধন ২০ কিমি, রাধাকুণ্ড ১৮ কিমি আর মথুরা ৪২ কিমি।
বরসানা, নন্দগাঁও আর বৃন্দাবন কোন ক্রমে ঘোরা ভালো?
দিল্লি থেকে এলে ঠান্ডা থাকতে থাকতে আগে বরসানা, দুপুরের পরে নন্দগাঁও, আর বৃন্দাবন অন্য দিন। বৃন্দাবন দিল্লি বা মথুরা স্টেশনে ফেরার পথে পড়ে, তাই যাত্রার শেষে মানায়।
মন্দির কখন বন্ধ থাকে?
রোজ দুপুরে। শ্রীজি দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা বন্ধ। নন্দগাঁওয়ের নন্দ ভবন আর বৃন্দাবনের বাঁকে বিহারীও দুপুরে বন্ধ হয়। দুপুরের খাওয়া আর যাতায়াত ওই সময়ে রাখুন।
কবে আসছেন জানান; পরিকল্পনা আমরা আপনার মতো সাজিয়ে দেব
কবে আসছেন আর কতজন, শুধু এটুকু বলুন। শ্রীজি পর্যন্ত আসল দূরত্ব আর নির্দিষ্ট দাম সহ দুই বা তিনটি বিকল্প পাবেন। উৎসবের দিনে দাম বাড়ে না।
- এক দিনের মধ্যে উত্তর, প্রায়ই কয়েক ঘণ্টায়
- আমাদের মাধ্যমে বুক করলে থাকার দাম ওয়াক-ইনের চেয়ে ১০% কম
- উৎসবের দিনে প্রতিটি দলের সঙ্গে একজন স্থানীয় সঙ্গী
- ভিআইপি দর্শনের কোনও প্রতিশ্রুতি নেই, কারণ শ্রীজিতে এমন কিছু নেই